Wednesday, June 18, 2025

'Operation Rising' VS গরু খাওয়া মুসলিম জাতি

 এই যে ইরানের মধ্যে এত মুজাদের গোয়েন্দা কিভাবে? অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া। ঠিক আছে? আর অন্যদিকে একটা ইহুদি গোয়েন্দা যদি বুঝতে পারে সে ধরা পড়বে তাহলে সে বিষ পান করে মারা যাবে। পারমাণবিক প্রযুক্তি আছে, মিসাইল এন্ড ডিফেন্স সিস্টেম আছে। ঠিক তেমনি এআই এবং সাইবার ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি আছে। স্টিল টেকনোলজি। এই যে স্টিল ফাইটার জেটের কথা বলা হচ্ছে 35। এই স্টিল টেকনোলজি হচ্ছে রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার টেকনোলজি। এই টেকনোলজি অন্য কেউ পেয়েনিক এটা কখনোই আমেরিকা চায় না। ইরানের পরবর্তী টার্গেটে তুরস্ক পরিণত হবে। তথা ইরানের পরবর্তী...যাকে ধরা হবে সে হচ্ছে তুরস্কপ। তো সম্মানিত উপস্থিতি আমি যেটি বুঝাতে চাচ্ছিলাম সেটি হচ্ছে এখানে ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে যে যুদ্ধটা চলতেছে এটি আসলে কিসের যুদ্ধ? এটি পাওয়ার ডায়নামিক্স। এটি এরকম না যে হ্যাঁ শিয়া সুন্নিদের খুব ভালোবাসে। ইরান এই জন্য সে ইসরাইলের প্রতি আক্রমণ করতেছে। সে মসজিদে আকসা মুক্ত করতে চায়। এইজন্য ইসরাইলের প্রতি আক্রমণ করতেছে। সে গাজাকে মুক্ত করতে চায়। সেইজন্য ইসরাইলের প্রতি আক্রমণ করতেছে, এরকম, না। বিষয়টা এরকম নয়। এরকম হলে যখন গাজার মানুষ ক্ষুধার্থ ছিল, ঠিক আছে তাদের কাছে খাবার যাচ্ছিল না, পরাজিত

ছিল, হামাসের বাঁচার কোন রাস্তা ছিল না, তখনই যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত। কিন্তু তখন হয়নি। ঠিক, ইসরাইলও যে সৌদি, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন তাদেরকে রক্ষা করবে। এইজন্য সে ইরানকে ধ্বংস করতেছে। ইরানের পরমাণু অস্ত্র যেন মালিক না হয়। এই নিয়তে সে চেষ্টা করতেছে। এটিও কিন্তু না। তারা আসলে দুইজনই মধ্যপ্রাচ্যের প্রভু হতে চাই। একজন ইহুদি ধর্মকেন্দ্রিক এবং আরেকজন শিয়া ধর্মকেন্দ্রিক এবং দুইজনই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্য দেশগুলোকে শত্রু জ্ঞান করে। আমি জানিনা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশেরা এই নলেজ টুকু তারা রাখে কিনা যে আসলে ইসরাইলও তাদেরকে।

শত্রু জ্ঞান করে এবং ইরানও তাদেরকে শত্রু জ্ঞান করে। এখানে যেই আসলে টিকে যাবে সে পরবর্তীতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তার করবে। তো মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তারের একটা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব হচ্ছে ইরান এবং ইসরাইলের এই দ্বন্দ। এবং ইরান এবং ইসরাইলের এই দ্বন্দে আমাদের যেটি সবচেয়ে বেশি শিক্ষার আছে সেটি হচ্ছে দেখেন ইরানকে বারবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে টুইট আপনারা এক্স এখন তো Twitter না এক্স প্ল্যাটফর্মে গিয়ে যদি আপনারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের লাস্ট চার পাঁচটা পোস্ট দেখেন তাহলে সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে একজন প্রেসিডেন্ট পদের জায়গা।

থেকে স্পষ্টভাবে থ্রেটমূলক বাক্য উচ্চারণ করে তিনি বলছেন যে আমি বারবার ইরানকে বলেছি যে তোমরা একটা পারমাণবিক চুক্তি করো ঠিক আছে আমাদের সাথে নেগোসিয়েশনে আসো না হলে 60 দিনের সময় 61 দিন থেকে তোমাদের খবর আছে অমুক আছে তমুক আছে আমেরিকা বিশাল অস্ত্রের অধিকারী ধ্বংস করে দিবে শেষ করে দিবে অসংখ্য মানে সব ভয়াবহ রকমের সব থ্রেট তাহলে সারমর্ম কথা কি ইরানের যে পারমাণবিক যে প্রযুক্তি অর্জনের যে অভিলাশ সেটি যেন পূরণ না হয় ইরাকের সাদ্দাম হোসেনও কিন্তু সে অভিলাষ করেছিল তাকে কিন্তু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে তাহলে বিষয়টা কি বুঝাচ্ছে যে বর্তমান বর্তমান।

পৃথিবীতে কিন্তু প্রযুক্তির যুদ্ধ চলতেছে, জ্ঞানের যুদ্ধ চলতেছে। যে আপনি পরমাণবিক বম্ব কিভাবে বানায় এই জ্ঞান এবং এই প্রযুক্তিটা আপনি অর্জন করবেন এটা পৃথিবীর কেউ সহ্য করতেছে না। সে আপনি ইহুদি হন, খ্রিস্টান হন, বৌদ্ধ হন সেটা পরের বিষয়। কিন্তু আপনি যেন এই জ্ঞান না পান। আরেকটা আপনাদেরকে উদাহরণ দেই। যেমন ধরেন চায়না। চায়না যেন চিপ বা সেমিকন্ডাক্টরের যে নলেজ এটাতে যেন টপ লেভেলে না পৌঁছতে পারে। এজন্য চায়নার উপর কিন্তু এই কেন্দ্রিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। এরকম বলা যায় সাত থেকে আটটা টপ লেভেলের প্রযুক্তি এবং।

টেকনোলজি আছে যেটা আমেরিকা চায়না যে অন্য কেউ এই প্রযুক্তি পরিপূর্ণরূপে তার কাছে চলে যাক। তার মধ্যে যেমন পারমাণবিক প্রযুক্তি আছে, মিসাইল এন্ড ডিফেন্স সিস্টেম আছে। ঠিক তেমনি এআই এবং সাইবার ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি আছে। স্টিল টেকনোলজি। এই যে স্টিল ফাইটার জেটের কথা বলা হচ্ছে 35। এই স্টিল টেকনোলজি হচ্ছে রাডারকে ফাঁকি দেওয়ার টেকনোলজি। এই টেকনোলজি অন্য কেউ পেয়েনিক এটা কখনোই আমেরিকা চায় না। ঠিক তেমনি সেমিকন্ডাক্টর এবং চিপ তৈরির যে প্রযুক্তি এনভিডিয়া বা ইনটেল এরকম আমেরিকান যে কোম্পানিগুলো আছে তারাই টপ লেভেলের আমাদের মোবাইলের মধ্যে।

যে চিপ থাকে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের মধ্যে থাকে এটা কিন্তু পুরোপুরি আমেরিকার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে। যেটার 50% তৈরি হয় তাইওয়ানে। তাইওয়ানের সাথে চায়নার দ্বন্দতা কিন্তু এই কেন্দ্রিক। তথা আমি আপনাদের যেটি বুঝাতে চাচ্ছি যে পুরো পৃথিবীতে বর্তমান যে যুদ্ধটা চলতেছে ইরান এবং ইসরাইলের যে যুদ্ধ চলছে এটা জ্ঞানের যুদ্ধ। এটা প্রযুক্তির যুদ্ধ এবং জ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে যে এগিয়ে ক্ষমতা তার হাতে রাশিয়ার সাথে যে দ্বন্দ্ব চায়নার সাথে যে দ্বন্দ্ব জ্ঞান এবং প্রযুক্তির দ্বন্দ কিন্তু দুঃখজনক হলো সত্য যে আমরা মুসলমানেরা কিন্তু সেই জ্ঞান এবং।

প্রযুক্তি থেকে অনেক অনেক পিছিয়ে আছি [প্রশংসা] এবং আরেকটা বিষয়ে আমরা পিছিয়ে আছি একই তো আমরা জ্ঞান এবং প্রযুক্তি থেকে মুসলমানেরা পিছিয়ে আছি এবং আরেকটা বিষয় আমরা সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে আছি সেটি হচ্ছে দেখেন যে অপারেশন ইসরাইল পরিচালনা করছে এই অপারেশনের নাম ইসরাইল দিয়েছে রাইজিং লায়ন এবং এই অপারেশনের নাম যখন সে দেয় তখন সে তাদের যে তাওরা বা ওল্ড টেস্টামেন্ট যেটাকে আমরা বলি হিব্রু ভাষায় লেখা সেটার বুক অফ নাম্বারসের বুক অফ নাম্বারসের একটা শ্লোক সেই শ্লোক থেকে সেই নামটা নিয়েছে যে শ্লোকের বাংলা অনুবাদ হচ্ছে দেখ এই জাতি।

একটি মহান সিংহের মত উঠে দাঁড়াবে এবং যে তরুণ সিংহের মত নিজেকে উদ্দীপ্ত করবে সে শিকার না খাওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নিবে না এবং নিহতদের রক্ত না পান করা পর্যন্ত থামবে না এবং এই নামকরণ করার পর সেই নামটা চিঠিতে চিরকুটে লিখে তারা যে লিখিত চিঠি আল্লাহর কাছে পাঠায় সৃষ্টিকর্তার কাছে পাঠায় সেটা মসজিদে আল আকসার যে ওয়েস্টার্ন ওয়াল আছে সেই ওয়েস্টার্ন ওয়ালকে তারা সবচেয়ে পবিত্র মনে করে সেই ওয়েস্টার্ন ওয়ালে এই লিখিত চিরকুট লিখে বেঞ্জামিন নিতানিয়া হয়ে চিরকুট নিক্ষেপ করে সে ফেলে সেই ছবিটা সে সংবাদ মাধ্যমে।

প্রকাশ করেছে এবং তারপরে সে অভিযান শুরু করেছে। তাহলে তাদের অভিযানের সাথে তাদের ধর্ম এবং ধর্ম গ্রন্থের কি গভীর সম্পর্ক আছে সেটি কিন্তু আমরা চিন্তাত মানি না। ঠিক গাজার বিরুদ্ধে যে অভিযানটা তারা পরিচালনা করেছিল, গাজার বিরুদ্ধে অভিযানও তারা যে নাম লিখে নাম রেখেছিল গাজার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় আমালেক সেটিও 2023 সালের 28শে অক্টোবর এক বিবৃতিতে নেতানেহ বাইবেলের বুক অফ ডিউটেরনমি সেখান থেকে উদ্ধৃত করে আমালেক যেটা আমরা ওই যে আমালেকা গোত্রের বিরুদ্ধে মুসা আলাইহিস সালাতু সালাম ইউসাবিন নুনের যে যুদ্ধ যে যুদ্ধের বর্ণনা আল্লাহ সুবহানাতালা কোরআনে।

উল্লেখ করেছেন সেই যুদ্ধের স্মৃতিচারণে তারা কল্পনা করতেছে যে হামাস বা গাজাকে তারা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করে দিবে ঠিক যেভাবে আমালেকাদের ওই সময় ইউসাবিন নুন এবং মুসা আলাই সালাতু সালাম ইসরাইল যেভাবে নির্মূল করেছিল তাহলে এবং তাদের যতগুলো অস্ত্র আছে টেকনোলজি আছে সবগুলোর নামকরণেও তারা ধর্মীয় নাম সবময় ব্যবহার করেন। যেমন তাদের একটা অস্ত্রের নাম হচ্ছে ডেভিড স্লিং। ডেভিড মানে দাউদ আলাইহিস সালাতু সালাম। আপনারা এই বিষয়ে আরো স্টাডি করে দেখতে পারেন এবং আমি আমার বহু বক্তব্যে তুলে ধরেছি যে ইহুদিরা তাদের ধর্মের প্রতি।

কি পরিমাণ কট্টর বিশ্বাসে বিশ্বাসী। এখান থেকে আমাদের যেটা শিক্ষণীয় সেটি আমি আমার বহু বক্তব্যে বলেছি। যে যেখানে ইহুদিরা তাদের নিজের দিনের উপর কঠোরভাবে বিশ্বাসী হয়ে তারা তাদের সকল কিছু পরিচালনা করতেছে এবং পৃথিবীর কাউরো কেয়ার বা পরোয়া করতেছে না তার দ্বীনের উপর বিশ্বাসী থাকার ক্ষেত্রে এবং তার দ্বীনকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে তার দেশকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে কাউকে পরোয়া করতেছে না ঠিক আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের যারা হিন্দু আছে তারাও তাদের দ্বীনের উপর কট্টর বিশ্বাসী যে সেই কট্টর বিশ্বাস থেকে তারা কাউকে ছাড় দিচ্ছে না কিন্তু আমরা।।

মুসলমানেরা পরস্পর পরস্পরে প্রতিযোগিতা করতেছি যে কে কত বড় সেকুলার আর কে কত বড় অসাম্প্রদায়িক সেটি তুলে ধরার জন্য। এই সমস্ত অসাম্প্রদায়িকতা আর সেকুলারদের পৃথিবীতে কারো কাছে দাম নাই। তারা শুধু গোলাম এবং দালাল হিসেবে পৃথিবীতে বসবাস করতে পারে। আর গোলাম এবং দালালের বাইরে যদি মেরুদন্ড সোজা করে শক্ত করে দাঁড়াতে হয় তাহলে নিজ দ্বীনের উপর পূর্ণ আত্মবিশ্বাস। পূর্ণ আস্থা এবং পূর্ণ কনফিডেন্স কোন প্রকার হীনমন্যতা ছাড়া যদি আপনি সামনের দিকে আগাতে পারেন তবেই পৃথিবী আপনাকে দাম দিবে পৃথিবী আপনাকে গণনার মধ্যে কাউন্ট করবে এবং ইরানের উপর যে।।

হামলা চলতেছে এটা প্রমাণ করে যে ইরানকে তারা গণনার মধ্যে কাউন্ট করতেছে ইরানকে কেন গণনার মধ্যে কাউন্ট করতেছে ইরানের নিজস্ব ওয়ার্ল্ড অর্ডার আছে ইরানের নিজস্ব থিওরি আছে যদিও সেটা শিয়া ধর্মীয় রাজনীতিকেন্দ্রিক যেটাও মধ্যপ্রাচ্যের সুন্নি রাষ্ট্রগুলোর জন্য থ্রেট কিন্তু তারপরও সে তার নিজস্ব আদর্শে অটল অটল এবং অটুট। এই কারণে তাকে গণনার মধ্যে ধর্তবের মধ্যে আনতে হচ্ছে ইসরাইলকে। আর আমরা যারা আমাদের ঈমান এবং আকিদা বিক্রি করে দিচ্ছি বা সেকুলার হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত আছি অসাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রতিযোগিতায়।

লিপ্ত আছি এবং নিজের দ্বীনের উপর হীনমন্যতা আমরা বোধ করি এবং কতটুকু নিজের দ্বীনের ছাড় দেওয়া যায়, কম্প্রোমাইজ করা যায় সেটা নিয়ে আমরা চিন্তা করি। তাদের আসলে পৃথিবীতে কোন ভাত নাই অথবা তাদের আসলে পৃথিবীতে কেউ দাম দেওয়ার বা কেউ গণনা করার যোগ্যও মনে করে না। এইজন্য আমি এই ইরান ইসরাইলের যে যুদ্ধ চলতেছে এই যুদ্ধের যদি আমি সারমর্ম বা সামারি যদি আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরি তাহলে সেই সামারি এবং সারমর্মের এতটুকু বলতে পারি বা আরো দুই একটা পয়েন্ট যদি ছুটে গিয়ে থাকে যে ইরানের সাথে যে মৌখিক দ্বন্দ্ব এটা আসলে তথাকথিত যে।

ইসলামী বিপ্লব তারপরেই শুরু হয়েছে তথাকথিত ইসলামী 1979 এর আগের যে সময়গুলো যখন রেজা শাহ বাহলুবিরা ছিল তখন কিন্তু সেক্যুলার শ্রেণী বা সেখানে বসবাস করত যেমন আমরা আমাদের দেশে যেমন বলে থাকি শাহবাগী বা এই জাতীয় ঠিক আছে তো ইসরাইলও কিন্তু চাচ্ছে যে ওই জাতীয় কেউ ইরানের ক্ষমতায় আসুক যে সেকুলার হবে অসাম্প্রদায়িক হবে ছাড় দিবে কমপ্রোমাইজ করবে এবং ওই রিজাহল বংশধরদেরকে পুনরায় ইরানে বসানোর জন্য কিন্তু তারা চেষ্টা করতেছিল তো আসলে আমেরিকা এবং ইসরাইলের যে সমগ্র পৃথিবীপী যে নিজস্ব একটা ওয়ার্ল্ড ওয়ার্ডার এবং এর বিরুদ্ধে যদি কেউ।

দাঁড়ায় তারা তাকে ছাড় দিবে না এটি ঠিক এবং হয়তো পরবর্তী টার্গেট তুরস্ক পরিণত হতে পারে পাকিস্তানের এবং ধারাবাহিকভাবে সৌদি সহ অন্যান্য ইসলামী মুসলিম যে দেশগুলো তারাও আসবে। তো এইটার ক্ষেত্রে আসলে মুসলমানদের করণীয় কি? তাদের যে শক্তি সেই শক্তির সামনে দাঁড়ানোর মতো মুসলমানদের নিজস্ব শক্তি তৈরি করার চিন্তা থাকতে হবে। যে আপনি শুধু আমেরিকা থেকে অস্ত্র কিনবেন সে অস্ত্রের সফটওয়্যারও তাদের কাছে। ঠিক আছে? সেটা আপনি নতুন করে সেই অস্ত্র তৈরির যে টেকনোলজি সেটাও সে আপনাকে দিবে না। আবার সে অস্ত্র যদি আপনি তার বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির।

অনুমতিও সে দিবে না। সে অস্ত্র যদি আপনি ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে চান সেটির অনুমতিও সে দিবে না। পাকিস্তানের কাছে আমেরিকা যে অস্ত্রগুলো বিক্রি করে সেটি যেন ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করা যায় সে শর্ত দিয়ে থাকে। তাহলে শুধু অস্ত্র কিনার প্রতি যদি নির্ভর করে আমি যে সামারিটা করতেছি যে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির যুদ্ধ চলতেছে, জ্ঞানের যুদ্ধ চলতেছে। ইরানের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে শুধু এই কারণেই যে সে জ্ঞানের দিক থেকে তার পরমাণু বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক জ্ঞান অর্জন করে ফেলতেছে। এই কারণে আক্রমণ হচ্ছে জ্ঞানের যুদ্ধ। অতএব মুসলিম বিশ্বের যারা।

কান্ট্রি আছে আমাদের ছোট দেশ বাংলাদেশ তাদেরও আসলে শুধু চেতনা বিক্রি করা বাদ দিয়ে বা সেকুলার হওয়ার প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে তাদেরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। যে কিভাবে তারা নিজস্ব প্রযুক্তি ডেভেলপ করবে। বর্তমান যে ফিফথ জেনারেশনের যে যুদ্ধগুলো পরিচালিত বা ফোর্থ এবং ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধগুলো পরিচালিত হচ্ছে এই যুদ্ধগুলোতে ড্রোনের ভূমিকা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ভূমিকা ঠিক আছে এবং সাইবার অ্যাটাকের ভূমিকা এগুলো তো আপনারা ভারত পাকিস্তান এবং বর্তমান ইসরাইল যুদ্ধে যারা মোটামুটি অবজার্ভ করেছেন তারা খুব ভালোভাবে জানেন এই প্রত্যেকটা সেক্টরে।

বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ড্রোন ব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই বাংলাদেশের ফাইটার জেট আক্রমণ করবে ঠিক আছে বা মিসাইল সিস্টেম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করবে কিছুই নাই প্রত্যেকটাতে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের পার্শ্ববর্তী কোন দেশ যদি আমাদের উপর আক্রমণ করে যেমনটা ইসরাইল ইরানের উপর করেছে তাহলে ইরানের যা অবস্থাতে হাজার গুণ খারাপ অবস্থায় বাংলাদেশের। আর আমাদের যুবসমাজ ব্যস্ত আছে কিসে? জুয়া, নেশা, মদ, খেলতা-তামাশা আর ইসরাইলের ইহুদিরা কিসে ব্যস্ত আছে? জ্ঞান, গবেষণা ঠিক আছে? নতুন নতুন প্রযুক্তি,।

জীবন দেওয়া প্রত্যেকটা ইসরাইলের নাগরিকের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নেওয়া জরুরি। ফরজ। সবাইকে দুই বছরের জন্য যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে হয়। তারপরে তারা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকে যুদ্ধ শুরু হলে আবার তাদের একটিভ হতে হয় ঠিক আছে এটাই তাদের জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য আর আমাদের জীবনের কোন লক্ষ্য নেই কোন উদ্দেশ্য নয় আমদের নবী মহাম্মদ আমদের জন্য জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য দিয়ে গেছেন কিন্তু আমরা লক্ষ্যহীন উভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াচ্ছি এবং আনপ্রোডাক্ট তথা কোন প্রকার প্রোডাক্টিভিটি ছাড়া শুধু এর গীবত করা মারামারি করা গন্ডগোল করা কোন প্রোডাক্টিভ।

কাজ নাই কোন গঠনমূলক কাজ নাই ঠিক আছে ফেসবুক YouTube টুইটার এ সময় নষ্ট করা কোন লাইফ স্টাইলের কোন টাইম ম্যানেজমেন্ট নাই যে আমার লাইফ স্টাইল কিভাবে হবে স্বাস্থ্যের প্রতি কোনো খোজ নাই যে আমি স্বাস্থ্য ঠিক রাখবো সময়কে কাজে লাগাবো টাইমকে ঠিকভাবে কাজে লাগাবো কিছুই নাই শুধু সময় নষ্ট এবং গাল গল্প গীবত তহমতের মাধ্যমে আমাদের সময় পার হয়ে যাচ্ছে অতএব ভাইয়েরা আমাদের জন্য করণীয় কি এদিন আমাদের সামনেও আসবে এবং সেই দিনের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি পড়াশোনা প্রোডাক্টিভ লাইফ সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং নিজ নিজ জায়গা।

থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে এটি মুক্তি এটা ছাড়া মুক্তির কোন রাস্তা নেই হ্যাঁ আমরা হয়তো শক্তি দিয়ে তাদের সাথে পারবো না কিন্তু শক্তির বিষয় আল্লাহ সুবহানাতালা যেটা বলে আমার বক্তব্য শেষ করব শক্তির বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাতালা বলেছেন আদ জাতিকে যখন ধ্বংসের ঘোষণা আল্লাহ দিয়েছিলেন তখন আদ জাতি বলেছিল যে বর্তমান পৃথিবীতে আমাদের চাইতে শক্তিশালী কে আছে যেমন আজকে আমেরিকা ইসরাইল বলতে পারে যে সব টেকনোলজি তো তাদের কাছে পৃথিবীতে আর কারো কাছে কোন টেকনোলজি নেই যে দুই একটা মুসলিম দেশ তাদের কাছে টেকনোলজি কিনেছে সেগুলো।

তারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারবে না সুতরাং তাদের চাইতে সুপার পাওয়ার পৃথিবীতে কেউই নাই এটি সত্য কথা। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা বলছেন আলাল্লাহ্লা মানুষেরা কি জানে না যে আমেরিকার ইসরাইল যদি সুপার পাওয়ার হয় তো আমেরিকার ইসরাইলকে কে সৃষ্টি করেছে? এই আমেরিকা আল্লাহ নিজে কোরআনে বলছে যে আমেরিকা এবং ইসরাইলকে যে আল্লাহ সৃষ্টি করেছে সে আল্লাহ তো তাদের চেয়ে শক্তিশালী। আমেরিকা এবং ইসরাইল যদি আজকের সকল জ্ঞান বিজ্ঞান এবং টেকনোলজির মালিক হয়ে শক্তিশালী হয় তো এগুলো সবগুলোর সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন আল্লাহ সুবহাতালা।

আমেরিকা এবং ইসরাইলের সৃষ্টিকর্তা এই টেকনোলজি ড্রোন এয়ার ডিফেন্স সবগুলো সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহাতালা আল্লাহ হচ্ছেন তাদের চেয়ে শক্তিশালী আল্লাহ অবশ্যই অলৌকিক কিছু ঘটাতে পারেন ঘটাবেন ঘটান ঘটিয়ে থাকেন ভবিষ্যতেও ঘটাবেন কিন্তু তাদের জন্যই ঘটান যারা পাওয়ার যোগ্য ফেরাউনকে মুসা আলাইহি সালাতু সালাম তার শক্তি দিয়ে পরাজিত করবে এরকম কোন শক্তি মুসা আলাই সালাতু সালামের কাছে ছিল না এজন্য তাকে পালিয়ে যেতে হচ্ছিল কিন্তু আল্লাহ পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যতিক্রম অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেরাউনকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তো এরকমই কোন অলৌকিক।

ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহ ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু সেটার জন্য যে চেষ্টা যে কনিষ্ঠতা যেখলাস সেটা কিন্তু আমাদের নাই। যে ত্যাগ সেটা কিন্তু আমাদের নাই। আমাদের যে ইউরোপীয় উপনিবেশ পুরো মুসলিম বিশ্বের সকল মুসলমানদের সমস্যা হচ্ছে উৎস হচ্ছে ইউরোপীয় উপনিবেশ। এই যে আফ্রিকায় যে সমস্যা ইব্রাহিম তোওড়ে ঠিক আছে। বুরকিনা ফাসুর যে আফ্রিকান মুসলমানদের উপর যে ফ্রান্সের যে উপনিবেশ ঠিক আছে যে আপনার টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই রাখতে হবে অসংখ্য যে শর্তগুলো এটা দরকার আমরা আরেকদিন আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ তো এই যে উপনিবেশ আফ্রিকা।

উপনিবেশ বর্তমান পাকিস্তান ভারত এবং কাশ্মীরের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি ফিলিস্তিন ইসরাইলের দ্বন্দ্ব এটাও উপনিবেশের সৃষ্টি এই 190 বছরের উপনিবেশ মুসলমানদেরকে এমন মুসলমানদের জীনের মধ্যে ব্লাডের মধ্যে এমনভাবে গোলামী কলোনিয়াল মাইন্ডসেট ঢুকিয়ে দিয়েছে যে মুসলমানেরা তাদের আত্মমর্যাদা আত্মসম্মান ভুলে গেছে। তাদের একটা টাকার জন্য মিথ্যা বলা একটা টাকা বেশি ইনকাম করার জন্য দুর্নীতি করা এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। ধোঁকা দেওয়া এটি তাদের মর্যাগত স্বভাব। এজন্য মুসলমানদের কিনে নেওয়া আমেরিকা এবং ইসরাইলের কাছে এক দুই মিনিটের ব্যাপার।।

এইযে ইরানের মধ্যে এত মুজাদের গোয়েন্দা কিভাবে? অর্থের কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া। ঠিক আছে? আর অন্যদিকে একটা ইহুদি গোয়েন্দা যদি বুঝতে পারে সে ধরা পড়বে তাহলে সে বিষ পান করে মারা যাবে। কি পরিমাণ তার নিজের উপর আস্থা। ঠিক আছে? আর আমরা হচ্ছে আমাদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিব টাকার জন্য এই টাকার জন্য বিক্রি করে দিব এই মেন্টালিটি আমাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কিভাবে 190 বছরের গোলামীর মাধ্যমে তৈরি হয়েছে এজন্য আল্লামা ইকবাল বলেছেন সাবাক সাদাকাত সুজাত আদালত লিয়া জায়গা কাম দুনিয়া কি ইমামতকা যে মুসলমানেরা তোমরা সত্য বলা শিখো ন্যায়পরায়ণ আমানতদার।

হওয়া শিখো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন আত্মবিশ্বাসী হওয়া শিখো নিজের দ্বীনের উপর কট্ট আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে আসা হীনমন্য না হওয়া সেকুলারিজম ডেমোক্রেসির মত যে ওয়ার্ল্ড ওয়ার্ডার যেগুলো আছে কেন্দ্রীয় বিশ্ব আইনের গ্লোবালাইজেশনের এগুলোকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া আস্তাগ করে নিক্ষেপ করা এবং নিজের দ্বীনের উপর অগাধ আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া এবং চেষ্টা করা এবং ত্যাগের মন মানসিকতা রাখা যখন আপনি আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ করবেন ইখলাসের সাথে তখন আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে তো সম্মানিত উপস্থিতি আমরা যদি আমাদের পুরো।

আলোচনার সামারি করি তাহলে আমরা এটি বলতে চাই যে ইরান এবং ইসরাইলের যে যুদ্ধ এটা পাওয়ার ডায়নামিক্স এটা কি বলে ওর নাম ইরান জেরুজালেমের খুব ভালো চাই, গাজার খুব ভালো চাই। এজন্য হামলা করতেছে অথবা ইসরাইল সৌদি পিয়ত কাতার বাহরাইনকে রক্ষা করবে ইরান থেকে এরকম কিছু না। তাদের উভয়েরই লক্ষ্য তারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এইজন্য একজন আরেকজনকে সহ্য করতে পারতেছে না। কেন? উভয় জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে একজন আরেকজনের কাছাকাছি চলে আসতেছে। এইজন্য তাদের মধ্যে ফাইটটা লাজেম জরুরি ছিল। এটা হওয়ারই ছিল। এটা সংঘটিত।।

হয়ে গেছে। কিন্তু এখান থেকে আমাদের জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, মুসলিম উম্মার জন্য যে শিক্ষাগুলো নেওয়ার আছে, সেই শিক্ষাগুলো তাদেরকে নিতে হবে এবং সেভাবেই সামনের পথ আমাদেরকে বাছাই করার চেষ্টা করতে। আল্লাহ সুবহানাতালা আমাদের তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন। আশা করি আবার আপনাদের সাথে দেখা হবে ইনশাল্লাহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে। আসসালামু আলাইকুম

 ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আর হ্যা একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম। সেটি হচ্ছে আমাদের মাসিক আলী এতেসামে আপনারা নিয়মিত এরকম সমসাময়িক বিষয় আমাদের লেখনী সম্পাদকীয় সবকিছু পান এবং পেয়ে থাকেন।।।

হজ্জ নামে ধর্ম ব্যবসা

ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে চলমান যুদ্ধে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকানো নাসিরের


No comments:

Post a Comment