আমেরিকা এবং ইসরাইলের যে ভালোবাসা এই ভালোবাসার কাছে শাহজাহান মমতাজ লায়লা মজনু এরা কোন কিছুই না। শুধু গত এক বছরেই আমেরিকা ইসরাইলকে 18 বিলিয়ন ডলার মিলিটারি এইড দিয়েছে যেটা বাংলাদেশের রিজার্ভের অলমোস্ট সমান এবং এক বছরে এত টাকা মিলিটারি এইড হিসেবে আরেকটা দেশ থেকে একটা দেশ পাইছে এই জিনিস পৃথিবীর ইতিহাসে কখনো হয় নাই। প্রশ্ন হলো পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ ইসরাইলকে এত হেট করলেও আমেরিকা কেন ইসরাইলের জন্য এত পাগল? এই ভালোবাসা শুরু হইলো কিভাবে? এই বন্ধুত্বের রহস্য কি? আজকে আমরা বোঝার চেষ্টা করবো এই বন্ধুত্বের রহস্য। কাহিনীটা খুবই খুবই. ইন্টারেস্টিং। চলেন শুরু করা যাক। 1948 সালের মে মাসের 14 তারিখে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রু ম্যান একটা রেকর্ড করেন। রেকর্ডটা কি? উনি ইসরাইলকে দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এখন একটা দেশের আরেকটা দেশকে স্বীকৃতি দেওয়া তো কোন রেকর্ড নাই। আমেরিকা তো বাংলাদেশকেও স্বীকৃতি দিছিল 1972 সালের এপ্রিল মাসে। ট্রুম ম্যানের ক্ষেত্রে এটা রেকর্ড। কারণ ট্রু ম্যান ইসরাইলকে দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিছে মাত্র 11 মিনিটের মধ্যে। মজার ব্যাপার কি দেখেন? ট্রু ম্যান 11 মিনিটের মধ্যে স্বীকৃতি দিল। তার মাত্র আড়াই দিন পর রাশিয়া স্বীকৃতি দিছে ইসরাইলকে। জিনিসটা আপনি দেখেন আমেরিকা এবং রাশিয়া দুইটা একজন আরেকজনের শত্রু দেশ কিন্তু দুই দেশই ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য লাফালাফি করতেছে যে কে কার আগে স্বীকৃতি দিবে প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানকে পরে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে এত তাড়াহুড়া করে মাত্র 11 মিনিটের মধ্যে কেন ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে হল এবং উনি বেশ অনেস্ট একটা অ্যানসার দিছিল এবং এই অনেস্ট ব্যাপারটা আমার ভালো লাগছে থ তিনটা কারণ বলছিল প্রথম কারণ হল সিম্প্যাথি আপনারা সবাই হলোকাস্টের ব্যাপারটা জানেন যে প্রায় 60 লাখ ইহুদি মারা গেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে 1941...থেকে 1945 সালের এবং হলোকাস্টের এই ব্যাপারটা ইহুদি মারা যাওয়ার ব্যাপারটা যখন শেষ হয় তখন পুরা পৃথিবীতে একটা সেন্টিমেন্ট কাজ করতেছে যেটা একটা লজিক্যাল সেন্টিমেন্ট যে ইহুদিদের উপরে অনেক অবিচার হইছে এবং তখন প্রো ইহুদি কাজকর্ম অনেক বেশি হাইলাইটেড হচ্ছিল সমাজে এবং ট্রু ম্যান তো দিনশেষে একজন পলিটিশিয়ান উনি আমেরিকায় পলিটিক্স করতেছে আমেরিকার সাধারণ জনগণ আসলে ওইটাই চাচ্ছিল যেটা উনি করছে এবং উনি ওই ব্যাপারটাই ব্যাখ্যা করছে যে আমার ভোট ব্যাংক আছে আমেরিকায় আমার ভোট ব্যাংক এটাই চায় গত এই কয়দিনে অনেক খারাপ হইছে.।। ইহুদিদের সাথে আমার ভোট ব্যাংক যদি আরবের মানুষ হইতো তাহলে উনারা যা চাইতো আমি তাই করতাম। আমার ভোট ব্যাংক যেহেতু এই যে ইহুদিদের সাপোর্ট করা মানুষজন তাদের সাথে সিম্প্যাথি দেখানো মানুষজন। এরা যা চাইছে আমি তাই করছি। আরেকটা ছোট্ট কারণ ছিল ডেমোক্রেসি। আপনারা জানেন যে আমেরিকা সবসময় ডেমোক্রেসির একদম পাওয়ার হাউস। ডেমোক্রেসি রক্ষা করার দায়িত্ব নেয় ওরা। মিডল ইস্টে ওই সময় এবং এখনো অনেকাংশে আপনারা দেখবেন যে ডেমোক্রেসি ব্যাপারটা অত চলে না। এবং ইসরাইল ওই সময় একমাত্র দেশ ছিল যেটা ডেমোক্রেটিক একটা দেশ হিসেবেআবির্ভাব ঘটাইছিল। এবং আমেরিকা যেহেতু ডেমোক্রেসিকে সাপোর্ট দিতে চাই ওটাকে ওরা একটা কারণ হিসেবে দেখাইছিল যে হ্যাঁ এই কারণে আমরা তাড়াতাড়ি ওদের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছি কারণ ওই অঞ্চলটার মধ্যে একটাই যেটা একটা ডেমোক্রেটিক দেশ তো আমেরিকা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিল কিন্তু ভালোবাসা কিন্তু এখনো শুরু হয় নাই ইনফ্যাক্ট স্বীকৃতি দেওয়ার প্রথম 10 বছর ইসরাইলকে আমেরিকা কোন ধরনের সাহায্য করেই নেই বলা যায় আমেরিকার ওই সময় পুরা ফোকাস ছিল যে কোল্ড ওয়ার শুরু হচ্ছে কোল্ড ওয়ার চলতেছে সোভিয়েত ইউনিয়নকে কিভাবে কোল্ড ওয়ারে পরাজিত করা যায় ওই সময়ে।।
আপনারা অবাক হবেন আজকে জানলে যে আমেরিকা কিন্তু ইসরাইলকে অস্ত্র বেচত না ইসরাইলের যে ফার্স্ট অস্ত্রশস্ত্র ওগুলা কিন্তু ইসরাইল ফ্রান্স থেকে কিনছিল। এই সবকিছু বদলায় যায় যখন 1967 সালের ছয় দিনের যুদ্ধটা হয়। 67 যুদ্ধ নিয়ে আপনারা সবাই মোটামুটি জানেন ভয়ঙ্কর একটা যুদ্ধ হয়। একপাশে ছিল ইসরাইল, অন্যপাশে ইজিপ্ট, জর্ডান এবং সিরিয়া। এই যুদ্ধে ইসরাইল জিতে এবং বেশ কনভিন্সিংলি জিতে এবং কেউ আশা করেনি ওই সময়ে যে একটা দেশ যে দেশ মাত্র হইছে রিলেটিভলি স্পিকিং। এতগুলো আরব দেশের সাথে এগেন্স্টে একা যুদ্ধ করে জিতবে। এই পয়েন্টটা থেকে মূলত আমেরিকার ইসরাইলের।।
প্রতি ভালোবাসার সূচনা। এই সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে আরব দেশগুলার বেশ ভালো সম্পর্ক এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে আমেরিকার খারাপ সম্পর্ক। সো আমার শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু ওইরকম একটা ফিলোসফি ফলো করে মূলত আমেরিকা ইসরাইলের কাছে যায় যেয়ে বলে যে তুমি আমার বন্ধু হবা নাকি? ইসরাইলও দেখে যে আমি একটা ছোট্ট দেশ। আমি আছি খুব একটা স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনের ভিতরে। আমার আশপাশের সব আরব দেশ আমাকে হেট করে। মাত্রই কয়েকজনের সাথে যুদ্ধ করছি। আমার যদি একটা বড় নিউক্লিয়ার পাওয়ার বন্ধু না থাকে। রাশিয়া তো আমার বন্ধু হবে
না। কারণ রাশিয়া তো আরবদের বন্ধু হয়ে গেছে। আমার যদি একটা নিউক্লিয়ার পাওয়ার বন্ধু না থাকে আমার খুব বড় বিপদ হবে। ইসরাইল ইমিডিয়েটলি রাজি হয়ে যায়। বলে হ্যাঁ আমি বন্ধু হইতে রাজি। চলো ফ্রেন্ডশিপ করি। আমেরিকা ইসরাইলকে অস্ত্র বিক্রি করা শুরু করে। ইসরাইল বলে আমি আর ফ্রান্সের থেকে অস্ত্র কিনবো না। এখন আমি আমার নতুন বন্ধু আসছি। ওর কাছ থেকে অস্ত্র কিনবো এবং ওদের বন্ধুত্ব অফিশিয়ালি শুরু হয়ে যায়। হেনরি কিসেঞ্জার আপনার নামটা চিনেন। ওই যে তলাবিহীন ঝুরিওয়ালা লোক এবং তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিল হল গিয়ে
নিক্সন। এই দুইজন মিলে মূলত ইসরাইলের সাথে আমেরিকার বন্ধুত্বটা পাকাপুক্ত করে। আপনি যদি আমেরিকার পিওভি থেকে দেখেন পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে তাহলে একচুয়ালি আমেরিকার জন্য এটা স্ট্র্যাটেজিক্যালি রাইট মুভি বলেই মনে হয়। কারণ ওই অঞ্চলে আমেরিকার একটা এলাই দরকার ছিল যেই এলাই তার কথা শুনবে। বাকি দেশগুলার তো আসলে কথা শোনার দরকারও নেই। তারা অনেক পাওয়ারফুল দেশ আবার শুনতোও না কারণ সোভিয়েত প্রভাবে। একটা দেশই ছিল যে দেশ নতুন যে দেশ বিপদের মধ্যে ছিল। যে দেশের একটা বন্ধু দরকার সবদিক থেকে একচুয়ালি মিলে গেছিল এবং এই ইসরাইল।
আমেরিকার বন্ধুত্বটা না হওয়াটাই অবাক হওয়ার ব্যাপার হইতো। এরপরে 1973 বা 1974 এ একটা যুদ্ধ হয় যেই যুদ্ধে আমেরিকা ইসরাইলকে সরাসরি সাপোর্ট দেয় ওই যুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য এবং তারপরে 1978 সালে আমেরিকা যেয়ে একটা ডিল করে। এই ডিলটাকে আমরা বলব বড় ভাই ডিল। বড় ভাই ডিলটা কি? ও ইসরাইলের কাছে যায় এবং ও ইজিপ্টের কাছে যায়। জিমি কার্ডার ছিল তখন প্রেসিডেন্ট। এবং এই দুই দেশের কাছে যায় আমেরিকা বলে যে ভাই তোমরা দুইজনই ভালো। তোমাদের মধ্যে মারামারি করার দরকার নাই। আমি ইসরাইলকে বছরে তিন বিলিয়ন ডলার দিব এবং আমি ইজিপ্টকে বছরে দুই বিলিয়ন ডলার দিব। বদলে।।
তোমরা দুইটা জিনিস করবা। এক নাম্বার জিনিস নিজেদের মধ্যে মারামারি কামড়াকামড়ি করবা না। এবং দুই নাম্বার জিনিস আমি যখন যা বলব শুনবা। দুই দেশী রাজি হয়ে যায় এবং এই যে যে আমেরিকা ইসরাইলকে টাকা দেওয়া শুরু করল এই টাকা দেওয়া কখনো আর থামে নাই। আচ্ছা আপনারা ভাবতে পারেন যে এটা কেমন ভালোবাসা? এই ভালোবাসা কি শুধু টাকা দিয়েই সীমিত? আমেরিকা কি ইসরাইলকে খালি টাকাই দিতে থাকবে? ভালোবাসা তো একটা গোল্ড ডিগিং টাইপ সম্পর্ক হয়ে গেল। ভালোবাসা হইলো না। ব্যাপারটা তা না। ব্যাপারটা আসলে এর থেকে আরেকটু ডিপ। আমেরিকা এবং ইসরাইল 1985 সালে।
ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট শুরু করে। আমেরিকার প্রথম ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট এটা এর আগে আমেরিকা কারো সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট করে নাই এবং কয়দিন আগে আপনারা দেখলেন না যে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটা খাতা দিয়ে সবাইকে দেখাইল যে এর বিরুদ্ধে ট্যারিফ এত পারসেন্ট ওর বিরুদ্ধে এত পারসেন্ট এর বিরুদ্ধে 40 30 ইত্যাদি ইসরাইলের নাম কিন্তু নাই কারণ ইসরাইল থেকে আমেরিকায় কোন পণ্য পাঠাইতে বা আমেরিকার থেকে ইসরাইলে কোন পণ্য পাঠাইতে জিরো টারিফ কোন টাকা পয়সা খরচ হয় না ট্যাক্স হিসেবে এখানেই একটা ইন্টারেস্টিং টুইস্ট আছে এই ফ্রি করে আমেরিকার যে লাভ হয় নাই এমন না।
এটা খুব ইন্টারেস্টিং এবং ইন্টেলিজেন্ট একটা মুভ ছিল কারণ আপনারা এই ব্যাপারটা আমরা ইসরয়েলকে যতই হেট করি আমাদের এটা এগ্রি করতে হবে যে ইসরাইল একচুি বেশ স্মার্ট একটা দেশ এবং এই যে যে স্মার্ট একটা দেশ ইসরাইল তিনটা কারণে বিখ্যাত ছিল ওই সময় এক নাম্বার হল গিয়ে ইন্টেলিজেন্স মোসাদ অনেক স্ট্রং একটা ইন্টেলিজেন্স ছিল সেকেন্ড মেডিকেল ইকুইপমেন্ট এবং থার্ড টেকনোলজি এই তিনটা ব্যাপারে ইসরাইল পুরা দুনিয়ার বেস্টদের মধ্যে একজন ছিল আপনার যত বড় শত্রুই হোক আপনার শত্রুর শক্তিমত্তা সম্পর্কে তো আপনার জানতে হবে তাই না সো বেশ স্ট্রং ছিল আমেরিকা এইযে।।
যেযে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টটা করলো এতে করে ইসরাইলের তো লাভ হইছেই আমেরিকারও অনেক লাভ হইছে কারণ ইসরাইলের অনেক ট্যালেন্ট আমেরিকায় যাওয়া শুরু করছে। ইসরাইলের অনেক প্রযুক্তি আমেরিকায় যাওয়া শুরু করছে এবং বলা হয় বর্তমানে আমেরিকার তিন থেকে চার লাখ জবের ডিরেক্ট কারণ হইলো এই ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট। এটা যদি না থাকে মূলত ইসরাইল আমেরিকায় 4 লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। যদি ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট চলে যাই চার লাখ কর্মসংস্থান নাই হয়ে যাবে। আরেকটা বড় কারণ যে কারণে আমেরিকা ইসরাইলকে অনেক ভালোবাসে সেটা হলো ইসরাইলের।।
এইপ্যাক লবিং। দ্যা আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি। এই কমিটিটাকে ফরচুন ম্যাগাজিন বলছিল পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল লবিং কমিটিগুলার একটা। প্রত্যেক বছর যখন এদের ইভেন্ট হয় ওই যে বছর শেষ হয় না পিকনিক টাইপ জিনিসপত্র এমন কোন কংগ্রেসম্যান নাই আমেরিকান যে এই পিকনিকে এটেন্ড করে না অলমোস্ট সবাইকে লবিং করে কিনে ফেলছে এই ইসরাইলি প্রগোষ্ঠিতাটা শুধু তাই না ইসরাইল এমন এমন ইন্টারেস্টিং কাজ করছে আমেরিকানদের কনভিন্স করার জন্য যেগুলো আপনি না শুনলে বিশ্বাস করবেন না যেমন ইসরাইল একদম শুরুর দিকে বুঝে গিয়েছিল যে মানুষকে কনভিন্স করা।
সবচেয়ে বড় উপায়গুলার একটা হলো মিডিয়া ন্যারেটিভ কন্ট্রোল করা হলিউডের সবচেয়ে বড় 10 টা প্রোডাকশন হাউজের আটটা ইসরাইল মালিকানায় চলে গেছিল একটা সময়ে এবং যেগুললা মালিকানায় যায়ও নাই ওগুলাও যখন সিনেমা প্রডিউস করতে আসতো সাধারণত এই সিনেমাগুলা ফান্ড করতো ইসরাইলি মানুষজন এবং ন্যারেটিভ ঢুকানোর চেষ্টা করতো আপনারা জানেন নাকি জানিনা বেশ ইন্টারেস্টিং একটা সাইড নোট এটাই কাহিনীর সাথে রেলেভেন্ট না প্রথম যে টাইটানিক মুভিটা বের হয়েছিল যেটা জনপ্রিয় টাইটানিক মুভি ওইটা না তার আগেও আরেকটা টাইটানিক মুভি বের হয়েছিল 1940 এর আশপাশে আপনারা YouTube এ পাবেন ওই।
টাইটানিক মুভিটা কিন্তু হিটলারের ফান্ড করা ছিল নাজি পার্টি ফান্ড করছিল এটা এবং ওই টাইটানিকটা যদি আপনি দেখেন ওই টাইটানিকটা এটার থিমটা হলো যে টাইটানিক ডুবে যাচ্ছে। নাদজি বাহিনী চেষ্টা করতেছে টাইটানিক যেন না ডুবে এবং ওদেরকে হিরো হিসেবে দেখানো হইছে ওই পুরা সিনেমাটার ভিতরে একটা প্রপাগান্ডা টাইপ সিনেমা ছিল। তো এই কাহিনীটা আমার হঠাৎ মনে পড়ে গেল। কারণ ইসরাইল এই সেম জিনিস আরো অনেক বেশি যত্ন করে 40 বছর ধরে করছে। যেই কারণে আমেরিকান মানুষের মধ্যে আমেরিকান গভর্মেন্টের মধ্যে আমেরিকান পলিসি মেকারদের মধ্যে প্রো ইসরাইল যে মেন্টালিটি।
এটা একদম ছোটবেলা থেকে আসছে। এটা খুব সহজেই আপনি সরাইতে পারবেন না। মজার ব্যাপার কি জানেন? ইসরাইল এখন এই সেম জিনিস ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে করতেছে। অক্টোবরের যে অ্যাটাকটা হলো সেই অ্যাটাকটার পরে দেখা গেছে যে টুইটারে চার মিলিয়ন ইম্প্রেশন কিনেছে ইসরাইল নিজেদের ন্যারেটিভ প্রমোট করার জন্য। ডিজিটাল অ্যাম্বাসেডর ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম বলে একটা বিষয় আছে ইসরাইলের। যেখানে কলেজের এবং ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টদের ওরা 1,000 ডলার দেয় বদলে বলা হয় যে আমাদের কিছু ন্যারেটিভ আছে। এই আটটা ব্যাপার আছে। আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তোমাদের এই আটটা।
ব্যাপার প্রতিষ্ঠা করতে হেল্প করতে হবে। কিন্তু মজার ব্যাপার কি জানেন? এত কিছু করার পরেও এত এত চেষ্টা করার পরেও ইসরাইলের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা কিন্তু আমেরিকায় কমতেছে। আপনি যদি 30 বছর আগেও পোল করতেন আপনি দেখতেন 90% মানুষ আমেরিকায় ইসরায়েলকে সাপোর্ট করে। বাট এখনকার পোলগুলায় আমরা প্রত্যেকটায় দেখতে পাচ্ছি 50%, 45%, 52%, 53% এরকম। আপনি 10 বছর আগে এটা কল্পনাও করতে পারতেন না যে, যে আমেরিকার মাটিতে আমেরিকার ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্টরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রটেস্ট করবে। বাট এই জিনিস এখন অহরহ হচ্ছে। কিন্তু প্রবলেম হলো সরকারি হর্তাকর্তারা।।।
যারা পলিসি মেকার তারা এখনো সেই ইসরাইলের প্রতি ভালোবাসা রেখে দিয়েছে। আচ্ছা ভিডিও শেষ করব বাট একটা খুবই ইন্টারেস্টিং কাহিনী না বলে শেষ করাটা একদমই উচিত হবে না সেটা হলো ইসরাইলের যে প্রাইম মিনিস্টার বেঞ্জামিন নেতনিয়াহু আপনারা কি জানেন যে ইরাকের যে যুদ্ধটা হয়েছিল আমি তখন অনেক ছোট ইরাকের যুদ্ধের আগে বেঞ্জামিন নেতনিয়াহু ঠিক এক্সাক্টলি আপনারা ভিডিও পাবেন ইউটিউবে এক্সাক্টলি সেম কথা বলছিল যে ইরাকের পারমাণবিক বোমা আছে আমাদের খুব তাড়াতাড়ি একশন নিতে হবে যদি আমরা পারমাণবিক বোমা সাদ্দাম হোসেন ওই এঙ্গেল থেকে বাঁচতে চাই আমেরিকার উচিত
ইমিডিয়েটলি অ্যাটাক করা যদি পারমাণবিক বোমা ইরাক বানায়ে ফেলবে এরকম সিচুয়েশন না বানাইতে চাই আমরা যদি আমেরিকা এটা না করে তাহলে আমেরিকা খুব বড় বিপদের মধ্যে পড়বে ইসরাইলও খুব বড় বিপদের মধ্যে পড়বে [মিউজিক] 23 বছর পরে যাইয়া এক্সাক্টলি সেম স্ক্রিপ্ট আবার বলছে উনি কিন্তু ইরাকের জায়গায় এবার ইরান ইসরাইলের ইরাক ওয়ারে যে ভূমিকা ছিল এটা অফেন নেগলেক্টেড এবং ওইটা নিয়ে অত কথাবার্তা হয় না আপনারা আমাকে জানাবেন কমেন্টে আপনারা যদি চান বিষয়ে একটা ভিডিও বানাই ভালো থাকেন সবাই সবার সাথে দেখা হবে পরের কোন একটা ভিডিওতে টাটা
সৌদি আরবে ধর্ম ব্যবসা ,বস্টন এর নেপথ্যেপ্রতিবছর প্রায় 20 লক্ষ মুসলমান সৌদি আরবে হজে যায় আপনার মনে কি কখনো প্রশ্ন আসে না
ইরান এবং ইসরাইলের মধ্যে চলমান যুদ্ধে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

No comments:
Post a Comment