Monday, May 19, 2025

শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকানো নাসিরের ভয়ংকরতা"


https://youtube.com/shorts/gH3tkwsRB5w?si=9GMi5-hafHWakiMm
 ২০২০ সাল। আপনার অন্ধকারে ডুবে আছে গোটা বিশ্ব। রাজনৈতিকও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। আমি তখন মাদ্রাসার ছাত্র। পৃথিবীর ছেড়ে হাল নেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে মাদ্রাসা পড়ালাম। বাবা পুরানো প্রবীণ, অনুরোধ, কাজ করতে পারেন না। কোনো রোজগার নেই তাঁর।  

এক বছর দিয়ে গেল। ২০২১ সালে নাসির ভাইকে ফোন। বাবা,ভাই, বাবার তো কোনো আয় নেই। আপনি যদি কিছু টাকা দেন, বই আবার শুরু করতে আমি নাসিরে বলতে পারি, দেবার সময় ফোন, তখন। 

২০২২ সাল। গঠনের সময় মাকে দিয়ে আবার নাসিরকে ফোন করালাম। বলে, তুমি বলেছিলে জোটের সময় টাকা দিতে। এখন খবর খুব। তুমি বড় ভাই, তুমি না কে দেখবে? নাসিরের উত্তর মনে করা বুকের কেউ আবার বরফের ছুরি দিয়ে দিল—তুই পড়ালেখা করে আমাদের প্রতারণা করবি! লালর মতই হবি! টাকা জমা আমার কী লাভ? আপনি ইতা ভাভা কাজ করে পড়ুন! ফোন কথা এক বছর তাঁর সঙ্গে কথা বলিনি।  

নাজির কাছে কখনো ২০০, কখনো ৩০০ টাকা চাইতাম। পাঁচবার ফোন একবার রিসিভ করত। টাকা জমাও ১০-১২ দিন টানাটানি করে। বোরহান ভাইয়ের কাছেও একই অবস্থা। ৩০০ বার, বেশি বেশি তার স্ত্রী হাফসা ভর করে বলত *"টাকা নেই, আবার কিসের টাকা অংশ?"*  

মাদ্রাসায় ফিরলাম আবার। কিন্তু মনেই না। সাধারণে অভাবের ঘানি টান চেষ্টা। সাত একবেলা পুলিশ-রাত কাটত শূন্য পেটে। বাবা রোজা আপনার অন্য জমিতে দিনমজুরি করতে পারেন। রমজান উৎসাহ তাঁর সঙ্গে লাগলাম। ঈদের পর মাদ্রাসায় না গিয়ে পুরোদমে আমার নামলাম। একা রোজগার মে হাতে দিতাম। দুই বছর যেতে গেল।  

তারপর মালয়েশিয়ার পথ বাড়া পালাম। কেউ এক পয়সা সাহায্য করে না।  

এখন সময়। ১৫,০০০ বিপদে পড়লাম। নাসিরকে বলতেই সে নাজিমের মাধ্যমে টাকা বল। কিন্তু নাজিম টাকা দিল না— নিজের পাসপোর্ট বানালো! নাসিরকে বলে সে বলল, *"আমি কিছু জানি না, আপনিই টাকা দিবি!" নাসির এখন আমি আমার জন্য আমাকে অপমান করেছি: কি টাকা দিয়ে ভুল করেছি? আমি কি তুর কাছে সুদ লাগিয়েছি? এই বেতন আমাকে টাকা দিতে হবে ১৫০০০ আগে, আজ ভাইয়ের কাছে অপমান। কিন্তু যেদিনের জন্য পথ চেয়ে আশা, 

অনেক দিন পর লম্বালি

শুধু ছোট্ট ঘর থেকে তাই নয় মা জীবনের কঠিন পথে পা রাখতে আমাকে। পরিবারের সাথে সম্পর্কে যেটা থাকার কথা, আমার পরিচয় সুতোর সাথে দেখা গেছে। চার ভাইয়ের মধ্যে কখনো একত্রে ভাত হয়নি—একটা অমিলের জীবন আমাদের। নাসির, যার কথা দুই, সে আমাদের একজন। 2012 সেদ্রামা নির্মাণ করা যায়, যখন আমি বছরের মাসায় পড়ি। 17 পার হয়ে গেছে, কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে তার ভিডিওর সাথে কল হয়নি, না কোন সমস্যা হচ্ছে তার কোন ছবি। সে আমার এক অচেনা মুখ, শুধু দেখতে পরিচিত।  

আমার পছন্দ নিখুতলাম আমি। পুকুরলিজ দিয়ে তিন লক্ষ টাকা জোগাড়, ভিসা পেলাম মালয়েশিয়ার—২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২। নাসির কি জান আমি মালয়েশিয়া আসছি? তথ্যও আমার অজানা। কিন্তু মজার ব্যাপার, আমি এখানে এসে কাজ শুরু করেছি মাত্র ১২ দিন, আর নাসির তখনই বসল—"কিরে, মালয়েশিয়া খুলে গেল? কত টাকা লাগলো?  

একটা প্রশ্ন জাগে মনে—এদিন পড়ছিল সে? টাকা জোগাড়ের সময়, পাশের দিনগুলোর কোনো খোঁজখবর ছিল না। কিন্তু এখন, মাত্র ২৮টি, সে আমাকে চাপ দিতে পুকুরের টাকা শোধ করার জন্য। "এই বছরের ভিতরে টাকা রেডি কর," বলে সে হুকুম দিয়ে দিল। অনেক সময়র দিত 

আমি তাকে চিনি না, সত্যি না। সত্যই আমি তাকে কখনো জানি। সে আমার পক্ষে কখনোই দেয়নি, না বরকে আমাকে টাকাও সাহায্য করে। এখনও কেন এই চাপ? তার ফোন নম্বর ব্লক করে থাকি, কারণ অচেনা এক মানুষের আবদার মানতে আমার মন চায় না।  

17 বছরের দূরত্ব, অখা, অবান্তর দাবি—এসব নিয়ে ভাবতে মনে হয়, রক্তের সম্পর্কটাও কি শুধু একটানালিটি? নাসির কে, সে কী চায়—জানার পছন্দও এখন আর নেই। জীবনের এই পর্বে এসে শুধু আমিই, সম্পর্কে মূল্য দিতে হয় আর ভালোবাসা দিয়ে। যদি না থাকে, তাহলে রক্তের টানাটানি শুধু একটা 

শব্দমাত্রা। 

শীতের এক ঠাণ্ডা সময় চুরি করে সেই পুকুরপাড়ে "আমি তোমার আকাশে' তার দিকে ছিল। চারদিকে কুয়াশার চাদর, আর মন ভরে আছে অভিমান। তাদের এক সুখী পরিবার আজ আমিভিন্ন। বাবা-মা অনুরোধ বা বৃদ্ধা অবস্থান পর ভাগের ভাগের প্রশ্ন তাদের মধ্যে এমন তিক্ত হবে, তা কখনো কল্পনাও করেনি সে।

আমার বড় ভাই নাসির, যে নেতাই দায়ী আর চরিত্রের চরিত্র ছিল, বাবার মালিক বেশি ভাগ আর নিজের কাছে নিতে চাইছে। অন্য ভাইবোনেরা আপত্তি জানালে সে রাগ আর অপমান চিহ্ন তাদের চুপ করে দেয় বা অতীতে অনেক কিছু বলে।

 এক সপ্তাহ পর বাড়িতে উঠানে জমা হয়। বাবা যে জায়গা ঘর, আর কিছু সঞ্চয় নিয়ে তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। মাসুম, তার বড় বোন সুমাইয়া, আর মেজ ভাই বোরহান বললেন,

“বাবা মা স্বাভাবিক চেয়েছিলেন ন্যায্যভাবে ভাগ হবে না।

কিন্তু নাসির গম্ভীর গলায় বলা,

“কথা শোনো, আমি বড় ভাই। এই জমি আমি ধরেছি। ছিল—সব আমার ঘাড়ে ছিল। এই ভাগর বেশি ভাগ আমার প্রাপ্য। তোমরা যতই বলো, আমি ভাগ দিব না।

আমি পরামর্শ দিতে,

"তোমার দায়িত্ব পালন করতে এই না, তুমি শুধু নিজের করে নেবে আমাদেরও তোমার অধিকার আছে বাবার কথার কথা?"

 তীব্র স্বরে বলে উঠল,

“ইচ্ছা-টিচ্ছা আমি জানি না। বাবার জায়গায় আমি এই পরিবারের প্রধান।

তার জন্য আরো আমাদের লস হয়েছে 


আমার বুকটা খুলল। আমি বলেছি,

“ভাইয়া, তুমাকে কখনো কিছু বলিনি বড় ভাই, তাই সম্মান করেছি। বিষয় কী বলতে?

নাসির আর কিছু না বলে রেগে ফোন পাঠাতে গেল। সব মন চায়। সুমাইয়া কথা বলতে বলতে,

"ছোটবে ভাইয়া আমাদের কত ভালবাসা। আজ সেই মানুষটাই আমাদের জন্য এত বড় হয়ে গেল।

কারণের পর থেকে পরিবারে ফাটল ধরতে হয়, আমি আর নাজিম সে গ্রুপে যায়, আরমাইয়া তার স্বামীর সঙ্গে নতুন সুমন দেয়।

নাসিরের সম্পত্তি তারপাশ হয়েছে, কিন্তু তার চারপাশ শূনস্থান। ছোট ভাইবোনেরা তার সাথে সম্পর্কগতি। তখন সে উপলব্ধি করে, নিজের মনের শান্তিকেও চায়, আজও তার স্ত্রীর কথা বলে শুধু আমাদের বকঝকে নাসিরের মতো সম্পর্ক;

জীবন একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও ভালবাসা ছাড়া সেই সম্পত্তির মূল্যহীন। পরিবারে ন্যায্যতা ও সম্মান রাখা ভালোবাসার মূল ভিত্তি।


কিন্ত আমার একটা অজও মিলতেছে 

 সিলেটের এক ছোট পুলিশ নাসিরকে জেলে নিয়ে যায়। আমাদের তখন টাকা-জোয়সাগাড় করে, জরিমানা ছাড়া-শাট হাজার বাড়িতে তাকে ডাকে সে ফিরে আসে।  

এখন পর মামাতো ভাইয়ের সাথে চৌদ্দশত একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজের দোকান খোলে নাসির। ব্যবসা চলছিল ভালোই, কিন্তু রাজনীতিকে সফল করে নাসিরের সমস্ত টাকা নিয়ে খালাতো বোন ধরে ঢাকায় যায়। সেখানে বিয়ে করে সে নতুন জীবন শুরু করে। আর পেছনের সামনে আসেক্ষুব্ধ মামাতো ভাইকে, যার টাকা ফেরত দিতে নাসিরের শেষ পর্যন্ত দুই গরু কিনতে হয়।  


চার-পাঁচ বছর পর নাসির ফিরে আসে। পুরান ঘাড়, হালিম কাকার পুকুরের কোণায় আবার দোকান খোলে। সঙ্গী বোরহান ভাই। কিন্তু গত কথায় কথায় টার্ক বেধে যায়—নাসির রাগে হাতুড়ি দিয়ে বোরহান ভাইয়ের পায়ে। তখন এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, বোরহান ভাই আপনার পর মাস ডক্টর-হাসপাতালে শেষ পর্যন্ত পঙ্গুত্ব বরণ করে। আজও সে ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারে না, ভারী কাজ তো দূরের কথা।  

বন্ধ হওয়া যায়। নাসির আবার ঢাকায় দেখা যায়, উত্তর জানা যায় ফামিলিটা কে। এরই মধ্যে নিখোঁজ হয় ভাই-নাজির, যে মাদ্রাসা থেকে হারিয়ে যায় সাত বছর ধরে। পরিবারে আমার এক মহামারী কথা আসে। বড় ভাইয়ের কারণে জমি-জিরাত করতে হয়, বাবার কাছে জীবন সঞ্চয় উবে যায়।  

২০১২-১৩ তারিখের দিকে নাসির দেখতে দেখতে হবে। সংখ্যা ক্রমাগত প্রয়োজন হয়—বাবা আবার বাজার নির্ধারণ করে, এতা গরুর মূল্য নির্ধারণ থেকে লোনও। কিস্তি শোধের চাপে ফ্যামিলির কি অবস্থা নাজেহাল পড়েছে। নাসিরও আমিও ঠিকমতো টাকা দিতে না—কখনো তিন হাজার, কখনো চার হাজার টাকা। শেষ পর্যন্ত কিস্তি শো প্লীজ, নাসিরের সম্পর্ক সম্পূর্ণ হওয়া যায় পরিবারের সাথে। সে আর টাকা দেয় না, অবহেলা করে, সহ স্ত্রী ঝগড়া-বিবাদে মেতে থাকে।  

আজ আমাদের ফ্যামিলির অবস্থা শোচনীয়। বাবার সমস্ত সম্পদ, গরু, জমি—সবই নাসিরের জন্য উড়ে গেছে। বাবা আজ নিঃস্ব, পরিবারটি দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জিত। নাসির কাছে সুখে আছে, কিন্তু তার ভাই-বোনদের আজ ভিক্ষাবৃত্তির ঠেকে দেওয়া হয়েছে।  

একজন মানুষের স্বার্থপরতা ব্যবহার করলে একটি পরিবারকে স্থূলস্থাপন করতে পারে—সির তার জীবন্ত উদাহরণ।


         প্রতারণার ছায়া নাসির

তুমি এলে আশার আলো,

বুনলে মনের গভীরে, কথা ছিল মধুর মায়া,

ভরসা গঠনও ছিল ছলনা পেট। 

তোমার প্রতিশ্রুতি, ছিল এক মরিচিকা,

বিশ্বাসের দেওয়াল, শেষমেশ দেখার দাগ।

আমরা ভাই ভাই আপনি, শুভভ্রতার এক উজ্জ্বল ছাপ,

কিন্তু মুখোশ খুলতে দেখলাম,

ছিল শুধু ছালনার পাপ।

তোমার প্রতারণার গল্প আজ,

আমাদের হৃদয়ে লিপিবদ্ধ, পথশ নিলাম, 

জাগবো আবার,বি

না প্রতারণায় গড়বো সত্যের ভিত্তি! 







No comments:

Post a Comment